Friday, 1 July 2016

Uncollected Ghanada

অগ্রন্থিত ঘনাদা


== এই ব্লগে প্রদর্শিত অপরের রচনাংশ, স্থিরচিত্র বা অলংকরণের কপিরাইট আমাদের নয় ==

পোস্টের বক্তব্য স্পষ্টতর করতে এগুলি সাজানো হচ্ছে কোনও ব্যবসায়িক স্বার্থে নয়

From the 'Blogus' blog.
BlOGUS ব্লগে অগ্রন্থিত ঘনাদা


From the 'Blogus' blog.

অগ্রন্থিত কাহিনি ‘মহাভারতে ঘনাদা’-র শীর্ষচিত্র ।
শিল্পী : জনৈক ‘স্বপন’ বাবু ।


********************************************************************************
এই অগ্রন্থিত ঘনাদা-গল্পটি খুঁজে পাওয়ার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব শ্রী সমুদ্র বসু-র প্রাপ্য ।
তরুণ এই আর্কাইভিস্ট, পেশায় বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কনসালটেন্ট ।
অক্লান্তভাবে উনি শিশু-কিশোর সাহিত্যের প্রাচীন / নতুন লেখকদের রচনা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে চলেছেন ।
সমুদ্র বাবু-র সৌজন্যে, তাঁর পুনরাবিষ্কৃত প্রেমেন্দ্র মিত্র-র এই অজানা কাহিনি সম্পর্কে জানা গেল ।
তাঁর প্রতি BlOGUS সবিশেষ কৃতজ্ঞ ।
********************************************************************************

 


দাস-এর শ্রোতা ছিল লেকের ধারটিতে,
ঘনা-র শ্রোতা মেস-কোণে ...
 

From the 'Blogus' blog.

ঘনশ্যাম বাবু-র সরোবর-সভার প্রৌঢ় শ্রোতাবৃন্দ ।
শিল্পী : সুবোধ কুমার দাশগুপ্ত



এ যেন পিঞ্জর-পক্ষী আর বন-বিহঙ্গ ।
হচ্ছে ঘনশ্যাম দাস মহাশয়ের দুই শ্রেণির শ্রোতার কথা ।

অপরাহ্ণ । 
শহরের দক্ষিণে অবস্থিত এক কৃত্রিম জলাশয়ের পাড়ে প্রতীক্ষমাণ প্রৌঢ়-চতুষ্টয় ।
রামশরণ, শিবপদ, হরিসাধন, ভবতারণ
কখন কানে আসবে তাঁর  ছড়ির ঠুক ঠুক ?
সেই কথক, যাঁর পূর্বপুরুষের কাহিনির আঠায় জুড়ে যাবে হিস্ট্রির কত হারানো লিঙ্ক ।
লেকের আড্ডার ঘনশ্যাম বাবু


From the 'Blogus' blog.

ঘনাদা-র মেস-মহলের তরুণ শ্রোতাগণ ।
শিল্পী : প্রতুল চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

পরদিন তাঁকেই পাবেন ঘনাদা রূপে ।
মেসের আর্মচেয়ারে আরামে আসীন ।
সেখানে সুখাদ্যের সুরভির সঙ্গে মিলবে বিজ্ঞানের সুবাস । ইতিহাসের বদলে ।
তস্য তস্য নয় । তাঁর নিজেরই কোন অতীত অভিযানের বর্ণনায় ।
এসব কিসসা বয়স্কদের মাঝে চালানো চলে না ।
মেসের ঘনাদা-র চার শ্রোতা তাই যুবক ।
শিবু, শিশির, গৌর, সুধীর




একই কথকের দ্বিবিধ সত্তা
দু’ধরনের গল্প
দুটি লোকেশন
দু’রকম শ্রোতা

আচ্ছা, মেস-মহলের মাতব্বরগণ কি সরোবর-সভার সদস্যদের চিনতেন ?
নামটুকুও জানতেন ?


তাঁর ষষ্ঠ গল্প ‘ছড়ি’ (১৯৪৯)
ঘনাদা যে লেকের ধারে ঐ ছড়ি সহযোগে সান্ধ্যভ্রমণ সারেন, এই গল্পেই হয়ত তার পয়লা উল্লেখ ।
অর্থাৎ ৭২ বনমালী নস্কর লেন-এর ছেলেদের কাছে তাঁর বৈকালিক গন্তব্যস্থল অজানা ছিল না ।
ঐটুকুই ।
কিন্তু ধরা যাক, মেসের শিবু । তিনি কি লেকের শিবপদ বাবুর অস্তিত্ব সম্পর্কে অবহিত ছিলেন ?
‘ঘনাদা সমগ্র’ ঘেঁটেও এমন প্রমাণ পাওয়া দুষ্কর ।

From the 'Blogus' blog.
প্রেমেন্দ্র মিত্র (১৯০৪ – ১৯৮৮) ।
 
মিলল অবশেষে ।


১৯৭৮ সালে বেরয় ‘তেল দেবেন ঘনাদা’ ।
১৯৮০-র পুজোয় ‘জ্য়দ্রথ বধে ঘনাদা’ । 
এরই ফাঁকে ১৩৮৭ সনের বৈশাখ মাসে প্রেমেন্দ্র মিত্র শুরু করেন একটি নতুন ঘনাদা ধারাবাহিক
অদ্যাবধি যা অগ্রন্থিত
অধুনালুপ্ত এক পত্রিকায় প্রকাশিত সেই ‘মহাভারতে ঘনাদা ’-র কথাই বলছি ।




ইতিমধ্যে ১৯৬৮-তে সমাপ্ত হয়েছে ঘনশ্যাম বাবু বর্ণিত শেষ তস্য তস্য কাহিনি ‘সূর্য কাঁদলে সোনা’  
ঘনাদা-র অভিনব মহাভারত চর্চাও চালু হয়ে গেছে
পরে, সেই পর্যায়ের আটখানি গল্প যে পুস্তকে একত্রিত হল, তার নামও ‘মহাভারতে ঘনাদা’
সেই বইখানির সঙ্গে অবশ্য গ্রন্থবদ্ধ না-হওয়া আলোচ্য ধারাবাহিক ‘মহাভারতে ঘনাদা’-র কোন সম্পর্ক নেই ।
খোদ মহাভারত-এর সঙ্গেই কি আছে ?


শুরুতেই স্বীকার করে নিই ।
মহাভারতে ঘনাদা’-র সব কটা কিস্তি এখনও সংগ্রহ করা যায়নি ।
ফলে অগ্রন্থিত এই রচনা, অসম্পূর্ণও কিনা, বলা যাচ্ছে না ।
তাতে অবশ্য এর অভিনবত্ব হ্রাস পায় না ।


একমাত্র এই গল্পে দুই দল শ্রোতার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেছে । গোড়া থেকেই ।
স্বয়ং ঘনশ্যাম বাবু-ই তাঁর বয়স্ক বন্ধুদের নিমন্ত্রণ করেছেন বনমালী নস্কর-এ ।
উদ্দেশ্য, মেস-মহলের সঙ্গে সরোবর-সভার মিলন ।
জানা গেল, ইতিমধ্যে ঘনাদা-র বর্ণনা থেকে লেকের প্রবীণদের নাম, চেহারা, পেশা সবই মেসবাসীদের মুখস্থ ।
মুখোমুখি হওয়াটুকুই বাকি ।

ভবিষ্যতে পরাশর বর্মা-র সঙ্গে ঘনশ্যাম দাস-এর মোলাকাতের সাক্ষী থাকবে ৭২ নম্বর
এও যেন অনুরূপ এক ঐতিহাসিক মিটিং-এর তোড়জোড় ...


ঘনাদা-র সবজান্তা ভক্তদেরও ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়ানোর মত কিছু ‘ট্রিভিয়া’ ছড়িয়ে আছে ‘মহাভারতে ঘনাদা’-য় ।
মেদভারে হস্তীসদৃশ ভবতারণ বাবু-কে তো চিনি ।
কিন্তু তাঁর পুত্র যে মস্ত ডেকোরেটর-এর কারবার চালান, জানা ছিল কি ?

কিংবা, মেসের নিকটস্থ বড় রাস্তার যে মিষ্টান্ন-প্রস্তুতকারক নিয়মিত ঘনাদা-কে মিঠাই সাপ্লাই করে থাকেন, তাঁর নাম রাধেশ্যাম ওরফে রাধু ।
প্রয়োজনে তাঁর দোকানের ফোনটি স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা চলে ।
৭২ নম্বরে দূরভাষ যন্ত্র নেই যে ।

ঘনাদা-র ঘর তেতলায় ।
বৃষ্টি পড়লে ন্যাড়া ছাদ পেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামতে গেলেই ভেজবার ভয় ।
টঙের ঘরের বাসিন্দা তাই একবার ফরমান জারি করেন ।
বর্ষাকালে ঐ ছাদ আর সিঁড়ি ম্যারাপ বেঁধে তেরপল দিয়ে ঢেকে দিতে হবে ।
জানতেন কি ?


বনমালী নস্কর লেন-এর চার শ্রোতার নামকরণ, প্রেমেন্দ্র মিত্র-রই বন্ধুদের অনুসরণে ।
From the 'Blogus' blog.

ঘড়ি’ ও ‘ঘনাদার ধনুর্ভঙ্গ’ গল্পে
শিবু
/ শিবরাম
শিল্পী : শৈল চক্রবর্তী
এ-খবর তো পুরনো
ঘনাদা গ্যালারি’ ওয়েবসাইটে সাজানো অলংকরণেও রয়েছে সেই ছাপ ।
চোখ রাখুন ‘ঘড়ি (১৯৪৮) ও ‘ঘনাদার ধনুর্ভঙ্গ (১৯৭০) গল্পের শীর্ষচিত্রে ।
শিবু-কে যথার্থই আঁকা হয়েছে শিব্রামীয় আদলে ।
অদ্বিতীয় ঐ কেশবিন্যাসই তার প্রমাণ ।
শিল্পী ? স্বয়ং শৈল চক্রবর্তী । বলাই বাহুল্য ।




From the 'Blogus' blog.

শিবরাম চক্রবর্তী (১৯০৩ – ১৯৮০) ।
মহাভারতে ঘনাদা’ গল্পে দেখছি সেই শিবু আর শিবরাম একেবারে একাত্ম
শিবরাম চক্রবর্তী-কে তাঁর জন্মসাল জিজ্ঞেস করলে বহুবিধ উত্তর মিলেছে ।
তাঁর তৎকালীন মর্জি অনুসারে । 
সিপাই বিদ্রোহের বছরটিও বাদ পড়েনি !
এ-ব্যাপারে তিনি যেন ঘনাদারই সমতুল ।
আলোচ্য গল্পে দেখা যাচ্ছে, শিবু-র ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিনও একটা নয়, অনেক ।
১২ ই জুলাই, ৭ ই আগস্ট – যা খুশি হতে পারে ।
কোন্ আত্মীয়ের কাছ থেকে কোন্ তারিখে জন্মদিনের উপহার আদায় করতে হবে, তাও লিখে রেখেছেন শিবু ।
কোথায় ?
কেন ? রাজ্যের দরকারি ফোন নম্বর / ঠিকানা যেখানে লিপিবদ্ধ ।
মেস-ঘরের প্রাচীর-গাত্রে !
কে না জানে, এই অভ্যাস ছিল খোদ চক্রবর্তী মহাশয়ের ।
বনমালী নস্কর লেন – মুক্তারামবাবু স্ট্রীট এখানে মিলে একাকার ।
এমনটা আগে হয়েছে কি ?



মহাভারতে ঘনাদা’-র যে কিস্তিতে শিবু-র এই কীর্তি ফাঁস করেছেন লেখক ‘সুধীর’, তার প্রকাশ, ১৩৮৭ সনের ভাদ্র সংখ্যায় ।
অর্থাৎ আগস্ট ১৯৮০
ঐ মাসেই প্রয়াত হন শিবরাম২৮ তারিখে ।

পরের বছর তাই নিয়ম ভেঙে দেব সাহিত্য কুটীর বার্ষিকী-তে তিনি গরহাজির । 

এমনকি ঘনাদা-ও !

From the 'Blogus' blog.

শিবরামের কাছে ধার’, প্রেমেন্দ্র মিত্র ।
শিল্পী : নারায়ণ দেবনাথ

পরিবর্তে স্থান পেল শিবরামের কাছে ধারশীর্ষক একটি গল্প  ১০

এটিও অগ্রন্থিত
লেখক ?
শিব্রাম-এর সেই প্রকৃত মিত্র
প্রেমেন্দ্র 





আসল কথাই বাদ পড়েছে ।
মহাভারতে ঘনাদা’-র যেটুকু পাওয়া গেল, তাতে নায়ক কিন্তু তখনও অনুপস্থিত ।
ঘনাদা-র উল্লেখ অবশ্যই আছে । তবে ফ্ল্যাশব্যাকে ।
বর্তমানে তিনি নতুন কোন্ কিসসা ফেঁদে বসবেন ?
বিজ্ঞান-সুবাসিত না ইতিহাস-আশ্রিত ?
নাকি মহাভারত-নির্ভর ?
কাহিনি-শিরোনামটুকু ছাড়া তার কোনো আভাসই মেলে না ।


সর্বোপরি, মেস-মহলের সঙ্গে সরোবর-সভার সেই বহু-প্রতীক্ষিত মিলন কি ঘটেছিল শেষ পর্যন্ত ?
জানা নেই ।

ঘনাদা-গল্পের এই অচেনা মোড়ে দাঁড়িয়ে আমরা অসহায় ।
উত্তর মিলবে ‘মহাভারতে ঘনাদা’-র প্রত্যেকটি কিস্তি আবিষ্কৃত হলে ।
যদি কখনও হয় ...

 

********************************************************************************


এই অগ্রন্থিত কাহিনির হেডপীসটিও, এর পুনরাবিষ্কর্তা শ্রী সমুদ্র বসু-র সৌজন্যে প্রাপ্ত । তাঁকে পুনর্বার সেলাম ।

 

********************************************************************************

 

__________________________________________________________________________________________________

 


‘হয়ত’ বলার কারণ আছে ।
সরোবর-সিরিজের প্রথম কাহিনি ‘রবিনসন ক্রুশো মেয়ে ছিলেন

‘প্রেমেন্দ্র মিত্রের শ্রেষ্ঠ গল্প’ গ্রন্থে (১৯৫২) অন্তর্ভুক্ত হলেও, কবে, কোন্ পত্রিকায় এর প্রথম আবির্ভাব তা স্পষ্ট নয় ।
যদি তা ১৯৪৯ বা তার আগেই লেখা হয়ে থাকে, তবে হয়ত ‘ছড়ি’-র পরিবর্তে এতেই প্রথম পাওয়া গেছে লেক-আড্ডার উল্লেখ


তস্য তস্য অথবা সূর্য কাঁদলে সোনা’ নামে প্রথম ধারাবাহিক প্রকাশ সাপ্তাহিক ‘অমৃত’ পত্রিকা-য় (১১ ই শ্রাবণ ১৩৭৪ থেকে ৬ই অগ্রহায়ণ  ১৩৭৫) ।

শান্তি পর্বে ঘনাদা’ (১৯৭৪) দিয়ে ঘনাদা-র মহাভারত-পর্যায়ের সূচনা । 
দ্রষ্টব্য : http://ghanada.wixsite.com/ghanada-gallery/short-stories-from-the-1970s-ii

মহাভারতে ঘনাদা’ (২০০৩) সংকলনটি শৈব্যা প্রকাশন বিভাগ-এর ।
এর সঙ্গে কিন্তু আলোচ্য অগ্রন্থিত ধারাবাহিক ‘মহাভারতে ঘনাদা’-র কোন সম্পর্ক নেই ।

পরাশরে ঘনাদায়’ (প্রথম প্রকাশ অজ্ঞাত) এবং ‘ঘনাদা ফিরলেন’ (১৯৮৪) গল্পে প্রেমেন্দ্র মিত্র-র অপর সৃষ্টি গোয়েন্দা-কবি পরাশর বর্মা-ও উপস্থিত ।

দ্রষ্টব্য : ভূমিকা, সুরজিৎ দাশগুপ্ত, ‘ঘনাদা সমগ্র ১’, আনন্দ পাবলিশার্স ।
গৌর = গৌরাঙ্গপ্রসাদ বসু, শিশির = শিশির মিত্র, শিবু = শিবরাম চক্রবর্তী, সুধীর = প্রেমেন্দ্র মিত্র-র ডাকনাম ।

ঘনাদা গ্যালারি’ ওয়েবসাইট :
http://ghanada.wix.com/ghanada-gallery
ঘনাদা গ্যালারি’ ফেসবুক পেজ :
https://www.facebook.com/GhanadaGallery/ 

৮,৯ঘনাদা গ্যালারি’ সাইটে ‘ঘড়ি’-র ছবি এই লিঙ্কে :
http://ghanada.wixsite.com/ghanada-gallery/short-stories-from-the-1940s
ঘনাদার ধনুর্ভঙ্গ
:

http://ghanada.wixsite.com/ghanada-gallery/short-stories-from-the-1970s
 
১০বোধন’ (১৯৮১) পূজাবার্ষিকী-তে প্রকাশিত ।

__________________________________________________________________________________________________

 

8 comments:

  1. এ লেখা কেমন লেখা, তথ্যে-রসে বেজায় বড়ো,
    সাসপেন্স বাড়িয়ে তোলায়, এ লেখা তেমনি দড়।

    ReplyDelete
    Replies
    1. 'মহাভারতে ঘনাদা' সম্পূর্ণভাবে আবিষ্কৃত না হওয়া অবধি আমরা সকলেই যে 'সাসপেন্ডেড' অবস্থায় ঝোঝুল্যমান ...
      কী ছিল গল্পের শেষে ?

      Delete
  2. e lekhar baki ta khuje ber kortei hobe

    ReplyDelete
    Replies
    1. দুনিয়ার ঘনাদা-ঘনিষ্ঠদের এই কামনা !
      এখন সমুদ্র বাবু এবং আপনারাই ভরসা ।

      Delete
  3. Replies
    1. অশেষ ধন্যবাদ ।
      Blogus ব্লগে আপনাকে স্বাগত জানাই ।

      Delete
  4. শিবরামের কাছে ধার গল্পটি (বোধন পত্রিকায় বেরিয়েছিল) প্রথম পড়ি ১৯৮২ সালে, বয়েস তখন ১০, এক পিসতুতো দাদার দেওয়া উপহার। তার আগে ছুটকো-ছাটকা শিব্রাম চক্রবর্তীর গল্প পড়েছি, কিন্তু প্রেমেন্দ্র বাবুর লেখা উপরোক্ত গল্পটি পড়ার পর, শিব্রাম বাবুর গল্প গোগ্রাসে গিলেছি - এই কিছু দিন আগে অবধি। আমি শিব্রাম বাবুর গল্পের যেমন ভক্ত, তেমনি ভক্ত ঘনাদার। আশা করি "মহাভারতে ঘনাদা" তাড়াতাড়ি পুনরুদ্ধার হবে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ধন্যবাদ শুভাশিস বাবু ।
      আমাদের মত সমস্ত ঘনাদা-প্রেমীদেরই তাই ইচ্ছে ।
      দেখা যাক ...
      ভাল থাকবেন ।

      Delete