Friday, 5 August 2016

Here's Harshabardhan !

হাজির হলেন হর্ষবর্ধন !



== এই ব্লগে প্রদর্শিত অপরের রচনাংশ, স্থিরচিত্র বা অলংকরণের কপিরাইট আমাদের নয় ==
পোস্টের বক্তব্য স্পষ্টতর করতে এগুলি সাজানো হচ্ছে কোনও ব্যবসায়িক স্বার্থে নয়

From the 'Blogus' blog.
BlOGUS ব্লগে হাজির হলেন হর্ষবর্ধন !

From the 'Blogus' blog.
হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন ও তাঁদের স্রষ্টা শিবরাম চক্রবর্তী (১৯০৩ – ১৯৮০) ।


কবে, কোন্ পত্রে আত্মপ্রকাশ করেন কিশোর সাহিত্যের সেরা সব ক্যারেক্টার ?
কারেক্ট উত্তর শুধাই কারে ?
ফেলুদা-র ফার্স্ট তো সব্বার জানা । ঘনাদা-র ঘনানোর সালও

কিন্তু হর্ষবর্ধন-এর হিসাব ?

‘বর্দ্ধন এন্ড বর্দ্ধন’ কোম্পানির জোড়া অংশীদার হর্ষবর্ধন আর গোবর্ধন
টাকা কামানোর পরে, কমানোর অভিপ্রায়ে তাঁদের আসাম থেকে আসা কলকাতায়
কিন্তু ঠিক কবে ?
নানা তল্লাটে চলল তল্লাশি ।
প্রথম-প্রকাশের তথ্য না মিললে হর্ষ  বর্ধনের চান্স নেই । বরং গোঁ  বর্ধনই ঘটে ।
ফের সেই গোঁয়ের সূত্রেই হর্ষ প্রাপ্তি ...

ততদিনে ‘রামধনু’ পত্রিকায় খান পাঁচেক গল্প লিখেছেন শিবরাম চক্রবর্তী
১৩৪১ সনের আশ্বিনে সমাপ্ত হল ধারাবাহিক ‘বাড়ি থেকে পালিয়ে

এল ‘রামধনু’, কার্ত্তিক ১৩৪১
এই সংখ্যাই সর্বপ্রথম  বহন করল বর্ধনদের বার্ডেন ।
গল্পের নাম ‘কলকাতার হালচাল

From the 'Blogus' blog.

কলকাতার হালচাল’, ‘রামধনু’, কার্ত্তিক ১৩৪১ ।

হর্ষ আর গোবরা
ভ্রাতৃদ্বয়ের সৃষ্টি-রহস্য ফাঁস করেছেন স্বয়ং শিবরাম :
“আমার হাসির গল্প লেখার গোড়ায় মহাত্মা মার্ক টোয়েন ... তাঁর ইনোসেনটস অ্যাব্রড বইয়ের কয়েকটি ছেঁড়া পাতা আমার হাতে উড়ে এসে পড়েছিল – গোড়াকার পাতা কটাই । তাই থেকেই আমি হর্ষবর্ধন আর গোবর্ধনের প্রেরণা পাই । তার পরে অবশ্যি লরেল হার্ডির অনুপ্রেরণাও ছিল বইকি !”
[গোড়ার কথা, ‘কলকাতায় এলেন হর্ষবর্ধন’, শিবরাম চকরবরতীর বইয়ের দোকান, ১৩৭৭ (?)]


স্রষ্টার ক্লেম অনুযায়ী খুললাম স্যামুয়েল ক্লেমেন্স, থুড়ি মার্ক টোয়েন প্রণীত ‘ইনোসেনটস অ্যাব্রড । 
From the 'Blogus' blog.

মার্ক টোয়েন (১৮৩৫ – ১৯১০) ও তাঁর ‘ইনোসেনটস অ্যাব্রড’ (১৮৬৯)
এ যে ইয়োরোপ সফররত একদল মার্কিন সাহেবের অভিজ্ঞতা !
মার্ক করতে পারলাম না বর্ধন-ভাইদের সঙ্গে ঐ ভ্রমণ-গ্রন্থের সম্পর্ক । (‘নেভার দ্য টোয়েন  শ্যাল মীট’ কেস ?)


কিন্তু স্ট্যান আর অলি
ইনস্ট্যান্টলি তাঁদের সঙ্গে গোবরা-হর্ষ-র মিল দেখতে পাবেন ।
চরিত্রগত না হলেও, চিত্রগত ।
প্রথম গল্প নয় । ‘রামধনু’-তেই প্রকাশিত পঞ্চম বর্ধন-বৃত্তান্ত ‘অথ শ্রীভিক্ষুক-দর্শন’ থেকে ।
এই অলংকরণেই সর্বপ্রথম  চিত্রার্পিত হন শিবরাম-এর যুগল নায়ক ।

দেখতেই পাচ্ছেন, হুবহু লরেল-হার্ডি-র আদলে ।
From the 'Blogus' blog.

(বাঁদিকে) স্ট্যান লরেলঅলিভার হার্ডি
(ডানদিকে) ফণীভূষণ গুপ্ত অঙ্কিত প্রথম হর্ষবর্ধনগোবর্ধন


জাপানি গোয়েন্দা হুকাকাশি-র পয়লা শিল্পী ছিলেন ফণীভূষণ গুপ্ত মহাশয় হর্ষবর্ধন-এরও ।
From the 'Blogus' blog.

শিল্পী ফণীভূষণ গুপ্ত (১৯০০ - ১৯৫৬) ।





কলকাতার হালচাল’ গল্পখানি দিয়েই প্রকৃতপক্ষে হর্ষবর্ধন-দের কলকাতা-সিরিজের সূচনা
১৩৪১১৩৪২-এর মধ্যে এমন আরো আধ ডজন বেরয় ‘রামধনু’ পত্রিকায় ।

গ্রন্থস্থ হওয়ার সময় (ভট্টাচার্য গুপ্ত এন্ড কোং লিঃ, ১৩৪৩) , এই সিরিজে নতুন তিন কাহিনি জুড়েছিলেন শিবরাম
মোট দশখানি আলগাভাবে গ্রথিত পরিচ্ছেদ দ্বারা গঠিত সেই ‘উপন্যাস’-টিরও নাম ‘কলকাতার হালচাল
From the 'Blogus' blog.

কলকাতার হালচাল’ বইয়ের একটি বিজ্ঞাপন, ‘রামধনু’, ফাল্গুন ১৩৪৫ ।


রামধনু’, অগ্রহায়ণ ১৩৪৩ সংখ্যায় পাবেন ‘পুস্তক-পরিচয়:
From the 'Blogus' blog.
‘রামধনু’, অগ্রহায়ণ ১৩৪৩ ।


রামধনু’-তে ছাপা কলকাতা-সিরিজের ক্রমবিন্যাসও রক্ষিত হয়নি বইতে ।
বিচ্ছিন্ন গল্পগুলির ক্ষেত্রে, কেবল দ্বিতীয়টিতেই শিরোনামে ‘ধাক্কা’ শব্দটি ছিল ।

গ্রন্থে, ‘অধ্যায়’-এর বিকল্প রূপে সর্বত্র এটি ব্যবহৃত । সঙ্গে কখনো আনকোরা নাম ।

  

রামধনু’ পত্রিকায় গল্প প্রকাশের ক্রম 
(মূল বানান অপরিবর্তিত)
কলকাতার হালচাল’ উপন্যাসে গল্পটির অধ্যায় (‘ধাক্কা’)-সংখ্যা / নতুন নাম
১)
১৩৪১, কার্ত্তিক – কলকাতার হালচাল
প্রথম ধাক্কা ।। হর্ষবর্ধনের বাস-লীলা
২)
১৩৪১, মাঘ - কলকাতার হালচাল [দ্বিতীয় ধাক্কা]
চতুর্থ ধাক্কা ।। বাইশকোপ – মানে, বাইশজনের কোপে শ্রীহর্ষবর্ধন !
৩)
১৩৪২, আষাঢ় – হর্ষবর্দ্ধনের সমুদ্র-লঙ্ঘন !
দশম ধাক্কা ।। হর্ষবর্ধনের সমুদ্র-লঙ্ঘন
৪)
১৩৪২, শ্রাবণ – ইঁদুর-চরিতামৃত
পঞ্চম ধাক্কা ।। ইঁদুর-চরিতামৃত
৫)
১৩৪২, আশ্বিন - অথ শ্রীভিক্ষুক-দর্শন
ষষ্ঠ ধাক্কা ।। অথ শ্রীভিক্ষুক দর্শন
৬)
১৩৪২, পৌষ – বে-দন্তবাগীশের বিবরে
সপ্তম ধাক্কা ।। বে-দন্তবাগীশের বিবরে
৭)
১৩৪২, চৈত্র – কেশ-কর্ষণের করুণ কাহিনী
অষ্টম ধাক্কা ।। কেশ-কর্ষণের করুণ কাহিনী
৮)
-
দ্বিতীয় ধাক্কা ।। গোবর্ধনের গৃহারোহণ 
(গ্রন্থে সংযোজিত নতুন অধ্যায়)
৯)
-
তৃতীয় ধাক্কা ।। গৃহপ্রবেশ ও শেষরক্ষা 
(গ্রন্থে সংযোজিত নতুন অধ্যায়)
১০)
-
নবম ধাক্কা ।। আনন্দবাজারের আনন্দ-সংবাদ 
(গ্রন্থে সংযোজিত নতুন অধ্যায়)

অর্থাৎ, উপন্যাসের , সংখ্যক ‘ধাক্কা’, সম্ভবত সরাসরি গ্রন্থের জন্য রচিত ।
পরিচ্ছেদগুলির মধ্যে যোগসূত্র হিসাবে ।


রামধনু’-পড়ুয়ারা তখন সদ্য চিনছেন হর্ষবর্ধন আর গোবর্ধন–কে ।
তাই মূল কাহিনিতে প্রবেশের আগে, লেখক স্বয়ং স্বল্প কথায় আলাপটা ঝালিয়ে নিতেন ।

যেমন দু নম্বর কিসসা ‘কলকাতার হালচাল [দ্বিতীয় ধাক্কা]’-র শুরুতে :
From the 'Blogus' blog.

কলকাতার হালচাল [দ্বিতীয় ধাক্কা]’থেকে, ‘রামধনু’, মাঘ ১৩৪১ ।
সপ্তম গল্প অবধি এমনটি দেখা যায় ।

হর্ষবর্দ্ধনের সমুদ্র-লঙ্ঘন !’-এর পাদটীকায় ‘রামধনু’ সম্পাদক মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য নিজেই সূত্রধার  :
From the 'Blogus' blog.
হর্ষবর্দ্ধনের সমুদ্র-লঙ্ঘন !’ গল্পে সম্পাদকীয় পাদটীকা, ‘রামধনু’, আষাঢ় ১৩৪২ ।

কলকাতার হালচালগ্রন্থে এই সব টুকরো প্রাককথন বাদ পড়ে ।




১৩৪৫ সনের মাঘ মাসে প্রয়াত হলেন হুকাকাশি-র সৃষ্টিকর্তা মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য
ফাল্গুনে, ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য সম্পাদিত প্রথম ‘রামধনু’-তে হর্ষ-গোবরা-র প্রত্যাবর্তন ।
পয়লা গল্পসপ্তকের পর এবার ‘শালদোশালার কাণ্ড !’ নিয়ে ।
From the 'Blogus' blog.
শালদোশালার কাণ্ড’, ‘রামধনু’, ফাল্গুন ১৩৪৫ ।
মাঝের সময়ে, সম্ভবত ‘মৌচাক’ পত্রিকাতেও দুই সহোদর চৌকিদারি করেছেন



কলকাতার হালচাল-এর পর তাঁদের দ্বিতীয় বই ‘যুদ্ধে গেলেন হর্ষবর্দ্ধন’ (দি বুক সোসাইটি, আশ্বিন ১৩৪৫)
From the 'Blogus' blog.
যুদ্ধে গেলেন হর্ষবর্দ্ধন’ গ্রন্থের প্রচ্ছদ (১৩৪৫) ।

তার মধ্যেই তাঁরা ‘অমর চরিত্র’ হয়ে গেছেন :
From the 'Blogus' blog.
যুদ্ধে গেলেন হর্ষবর্দ্ধন’ গ্রন্থের সমালোচনা, ‘রামধনু’, কার্ত্তিক ১৩৪৫ ।

হর্ষধ্বনিতে ধনী হয়েছে হর্ষ-র হর শো !





তিন দশক বাদে নতুন রূপে ‘কলকাতায় এলেন হর্ষবর্ধন’ (শিবরাম চকরবরতীর বইয়ের দোকান, ১৩৭৭ ?) ।
সেই গ্রন্থে শিরোনামহীনভাবে ‘কলকাতার হালচাল’-এর ‘ধাক্কা’গুচ্ছ তো ছিলই ।
সঙ্গে ‘যুদ্ধে গেলেন হর্ষবর্দ্ধন’, ‘হর্ষবর্দ্ধন অপহরণ’ সহ একরাশ বর্ধন-বৃত্তান্ত ।
From the 'Blogus' blog.
কলকাতায় এলেন হর্ষবর্ধন’, অন্নপূর্ণা প্রকাশনী সংস্করণ, ২ য় সংস্করণ ১৩৯০ ।



BlOGUS  ব্লগের প্রত্যেক পোস্ট বোগাস । এটিও তাই ।
এক চকরবরতী-চ্যালার চালাকি মাত্র ।
হাজির হলেন হর্ষবর্ধন’-এ ছড়ান রইল তথ্যের অগুন্তি ভ্রান্তি ।
সেসব দেখে বর্ধিত হোক আপনাদের গোঁ । বেশক ।
গবেষক – সাচ্চা রিসার্চার – তবেই না তৈরি হবে । আমা-হেন আনাড়িকে হটিয়ে ।

আপাতত BlOGUS  বন্ধুদের জন্য থাকল বর্ধন-ব্রাদার্সের পয়লা সপ্তকাণ্ডের প্রথম প্রকাশিত অলংকরণ
অস্তমিত ‘রামধনু’ থেকে । 

তথ্য সম্পর্কে রেজার্ভেশন থাক । অন্তত প্রেজার্ভেশন টুকু হোক ।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

From the 'Blogus' blog.

কলকাতার হালচাল’, ‘রামধনু’, কার্ত্তিক ১৩৪১ ।
কোনো অলংকরণ ছিল না ।

From the 'Blogus' blog.

কলকাতার হালচাল [দ্বিতীয় ধাক্কা]’, ‘রামধনু’, মাঘ ১৩৪১ ।
কোনো অলংকরণ ছিল না ।
From the 'Blogus' blog.
হর্ষবর্দ্ধনের সমুদ্র-লঙ্ঘন !’, ‘রামধনু’, আষাঢ় ১৩৪২ ।

From the 'Blogus' blog.
হর্ষবর্দ্ধনের সমুদ্র-লঙ্ঘন !’গল্পে ব্যবহৃত চিত্র, ‘রামধনু’, আষাঢ় ১৩৪২ ।
From the 'Blogus' blog.

ইঁদুর-চরিতামৃত’, ‘রামধনু’, শ্রাবণ ১৩৪২ ।
কোনো অলংকরণ ছিল না ।

From the 'Blogus' blog.
অথ শ্রীভিক্ষুক-দর্শন’, রামধনু’, আশ্বিন ১৩৪২ ।

From the 'Blogus' blog.

অথ শ্রীভিক্ষুক-দর্শন’, রামধনু’, আশ্বিন ১৩৪২ ।
হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন-এর প্রথম ছবি । শিল্পী : ফণীভূষণ গুপ্ত

From the 'Blogus' blog.
বে-দন্তবাগীশের বিবরে’, ‘রামধনু’, পৌষ ১৩৪২ ।


From the 'Blogus' blog.

বে-দন্তবাগীশের বিবরে’, ‘রামধনু’, পৌষ ১৩৪২ ।
আবার লরেল-হার্ডি-র ধাঁচে হর্ষ-গোবরা । শিল্পী : ফণীভূষণ গুপ্ত


From the 'Blogus' blog.

কেশ-কর্ষণের করুণ কাহিনী’, ‘রামধনু’, চৈত্র ১৩৪২ ।

From the 'Blogus' blog.

কেশ-কর্ষণের করুণ কাহিনী’, ‘রামধনু’, চৈত্র ১৩৪২ ।
এখানেও লরেল-হার্ডি-র ছাপ সুস্পষ্ট । শিল্পী : ফণীভূষণ গুপ্ত


-------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

শিবরাম উবাচ : “আমার ‘কলকাতার হালচাল’-এর হর্ষবর্ধন কাহিনীগুলি মাসিক কিস্তিতে ওই রামধনুতেই প্রকাশ পেয়েছিল। বই আকারেও বেরয় ওঁদেরই প্রকাশনালয় – ভট্টাচার্য গুপ্ত অ্যান্ড ব্রাদার্স [য] থেকে ।” 
(‘ভালবাসা পৃথিবী ঈশ্বর’, ‘শিব্রাম অমনিবাস’ ১৫, নবপত্র প্রকাশন, ১৯৯৯) 
১৩৬৯ সনে অভ্যুদয় প্রকাশ-মন্দির থেকেও বেরয় ‘কলকাতার হালচাল’ । 
(‘শিবরাম চক্রবর্তীর বই-তালিকা’, সংকলন : দেবাশিস মুখোপাধ্যায়,  ‘শিরোনাম শিবরাম’, কোরক, বইমেলা ১৪১৪)

  ‘কলকাতার হালচাল’ (১৯৩৬) বইটি দেখবার সুযোগ হয়নি ।
অধ্যায়-নামসমূহ, ‘হর্ষবর্ধন অমনিবাস’ (এশিয়া পাবলিশিং কোম্পানি, ১৩৮৯) গ্রন্থে সংকলিত এই উপন্যাস থেকে নেওয়া ।

  ‘কেশ-কর্ষণের করুণ কাহিনী’ স্বতন্ত্র গল্প রূপে স্থান পেয়েছে ‘যুদ্ধে গেলেন হর্ষবর্ধন’ (শ্রী প্রকাশ ভবন, ১৩৭১) বইতে ।
সেখানে এর নাম ‘হর্ষবর্ধনের চুল ছাঁটাই

--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

8 comments:

  1. অসাধারণ, এরকম একটা লেখা ভবিষ্যতে বিনিকে নিয়েও চাই

    ReplyDelete
    Replies
    1. অশেষ ধন্যবাদ অর্ণব !
      অবশ্যই চেষ্টা করব ।

      Delete
  2. Onoboddo Saurabh. Hats off to Blogus!!!

    ReplyDelete
    Replies
    1. অশেষ ধন্যবাদ পি ডি দা !!!

      Delete
  3. Replies
    1. অশেষ ধন্যবাদ জানাই ।

      Delete